মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা ।

 

গাজী মোঃ নওশের আলী

  উপজেলা কমান্ডার

চৌহালী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড

 চৌহালী, সিরাজগঞ্জ ।

মোবাইল নং- ০১৭১৮-২৩৬৪৫৯

 

 

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, চৌহালী সিরাজগঞ্জ এর বর্তমান কার্যকরি কমিটি নিম্নরূপঃ

 

ক্রমিক

নাম

পদবী

১।

গাজী মোঃ নওশের আলী

উপজেলা কমান্ডার

২।

,, মোঃ জহিরুল ইসলাম

উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার

৩।

,, আব্দুস সালাম

সহঃ কমান্ডার (সাংগঠনিক)

৪।

,, শাহজাহান আলী

সহঃ কমান্ডার

৫।

,, তফিজ উদ্দিন

সহঃ কমান্ডার

৬।

,, আঃ সামাদ মোল্লা

সহঃ কামন্ডার

৭।

,, ফজলুল হক

সহঃ কমান্ডার

৮।

,, রুহুল আমিন

সহঃ কমান্ডার

৯।

,, মাহমুদুল আলম

সম্মানিত কার্যকরি সদস্য

১০।

,, আঃ রউফ দুলাল

,,

১১।

,, মনসুর রহমান

,,

 

* সর্বমোট মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা = ২৭১ জন

 

* ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা = ১৭৩ জন

 

* শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা = ০৫ জন

 

* যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা = ০২ জন

 

* মৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা = ৪১ জন

 

* জীবিত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা = ২৩০ জন

 

 

 

১৯৭১ সালে চৌহালী উপজেলায় সংঘটিত বৈন্যা গ্রামে পাকহানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তিযুদ্ধঃ

 

*** ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসের শেষের দিকে মুক্তিযোদ্ধারা বনগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবস্থান করছিলেন । কোন এক রাজাকারের মাধ্যমে সংবাদটি সিরাজগঞ্জ পাক হানাদার বাহিনীর নিকট পৌঁছে দেয়া হয় । অতঃপর পাকহানাদার বাহিনীরা দুইটি গানবোর্ড বোঝাই পাক সেনারা আক্রমণ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ীঘর পোড়াতে চলে আসে । যমুনা নদীর পূর্বপার্শ্বে তারা গান বোর্ড নোঙ্গর করে । পরবর্তীতে তারা পায়ে হেটে মুক্তিযোদ্ধাদের বড়ীর নিকট ছোট নদীর কাছে চলে আসে । মুক্তিযোদ্ধারা পূর্ব থেকেই তাদের গতি বিধি লক্ষ রেখে কমান্ডার হারুন ও আবু বক্কার সিদ্দিকসহ প্রায় ৭০/৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা নদীর ওপর পাড়ে ওৎ পেতে থাকে । পাক সেনারা কাছাকাছি হলে দেখা যায়, একজন ক্যাপ্টেনসহ ৪/৫ জন পাকসেনা নদীর মুক্তিযোদ্ধাদের থেকে ৫০/৬০ গজের কাছকাছি আসতে না আসতেই শুরু হয় যুদ্ধ । উভয় পক্ষের গুলি ছোড়াছুড়িতে স্থানটি স্থম্ভিত হয়ে যায় । এরূপভাবে প্রায় ২/৩ ঘন্টা যুদ্ধে পাক সেনাদের একজন ক্যাপ্টেনসহ প্রায় ১১ জন পাকসেনা নিহত হয় । যুদ্ধের পরে ১টি মেশিনগান উদ্ধার করা হয় । নদীর অপরপাড়ে যুদ্ধে মৃত সৈন্যদের ফিরে নিয়ে যাবার সময় পথের মধ্যে একবৃদ্ধকে মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ী দেখিয়ে দিতে বলে (উর্দু ভাষায়) লোকটি ভাষা বুঝতে না পেরে সাধারণ একজনের বাড়ী দেখিয়ে দেয় । তারা সেই বাড়ীটি পুড়িয়ে দিয়ে চলে যায় । এই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম শহীদ হয় এবং আব্দুল কাদের আহত হয় । 

 

*** মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য এবং শত্রুকে স্বমূলে ধ্বংস করা এই যুদ্ধের মূল কারন ।

*** সবার সহযোগিতায় এই বিজয়কে ছিনিয়ে আনা সহজ হয় । এই যুদ্ধ ছিল চৌহালী থানার অন্যতম সফল যুদ্ধ ।

 

 

ছবি

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, চৌহালী, সিরাজগঞ্জ । উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, চৌহালী, সিরাজগঞ্জ ।



Share with :

Facebook Twitter